Listening

Listening


আমার IELTS এর প্রস্তুতি-listening

আমার পোষ্ট গুলো একটু বেশী বড় হয় কারন সবার জন্য আমি যা করেছি তাতেই কাজ হবে এমন কোন কথা নেই,তাই যেটা আপনাদের বেষ্ট মনে হবে সেটাই করবেন, আর আমার করা কাজ এর কোথাও যদি মনে হয় যে এটা আপনাদের হেল্প করবে তাহলে সেটা করবেন।আমি সবার প্রথমে আমার ষ্ট্রং পয়েন্ট খুজে বের করেছি,আমার ষ্ট্রং পয়েন্ট ছিলো Listening আর Reading.রিডিং ছিলো সবথেকে বড় ষ্ট্রং পয়েন্ট কিন্তু এক্সাম অনেক বেশী হার্ড হওয়ার কারনে রিডিং এর স্কোর লিসেনিং থেকে কম।যাই হোক,আমি প্রাকটিস করা শুরু করেছি ক্যাম্ব্রিজ বই দিয়ে,এর বাহিরে কোন একটা অনলাইনে ২-১ টা এক্সাম দিয়েছিলাম,সেটা মনে নেই।এক্সামের আগে কোন মক দেই নি,তবে যখন নিজে নিজে করতাম তখন ২৬-২৮ এর মধ্যে থাকতো।আমি একদম প্রথম যেটা করতে বলবো সেটা হচ্ছে অনলাইন থেকে ঠিক পরিক্ষার মত খাতার প্রিন্টা আউট নিন,একসাথে ২০-৩০ টা বের করুন,তারপর যতবার ই প্রাক্টিস করবেন,সেটার উপর করবেন,আর পেনসিন ইউজ করুন,পরীক্ষার হলে আপনাকে শুধু পেনসিল ই ইউজ করতে হবে সো আগে থেকে করলে আপনি হলে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারবেন।এর পর যেটা বলবো সেটা হচ্ছে মুভি বা সিরিজ,কোন নির্দিষ্ট মুভি বা সিরিজ না,যেটা দেখার ইচ্ছা হয় সেটাই দেখবেন,শুধু কষ্ট করে সাবটাইটেল অন করে রাখবেন,মুভির কথার সাথে সাথে সাবটাইটেল মেলাবে,এতে আপনার লিসেনিং যেমন বাড়বে,একই সাথে রিডিং এর স্পিড বাড়বে,আমি যেসব সিরিজ দেখেছি তা হলো Peaky blinders, Big bang theory, Naruto, Boruto, Attack on titan, Game of thrones, Breaking bad, House, Lucifer ।আর মুভির লিষ্ট বলা শুরু করলে শেষ হবে না।আমার এক্সামের জন্য আমি রেজি করেছিলাম ১০ এপ্রিল কিন্তু লকডাউনের কারনে যখন বললো যে হবে না,পড়ার ইচ্ছাই নষ্ট হয়েছিলো(এটা শুধু ই একটা অজুহাত) তখন আমি প্রায় ১ থেকে ১.৫ মাস এসব সিরিজ আর মুভি দেখেই কাটিয়েছি,এর মধ্যে একবার ও প্রাক্টিস করি নি,তারপর যখন বসলাম দেখলাম ৩২ এর নিচে কোনটাই আসতেছে না,যত কঠিনই হোক না কেন,রিয়েল এক্সামে ছিলো ৮ যার মানে আমার ৩৫ বা ৩৬ টা ঠিক হয়েছে,সো কিছু তো আছেই এই মুভি সিরিজে।আর একটা জিনিস মনে রাখবেন,ক্যাম্ব্রিজ এর বই এর উপরেই লেখা থাকে প্রেক্টিস ম্যাটেরিয়াল,আপনি এক জিনিস হাজার বার প্রেক্টিস করে তো লাভ নেই যদি ইম্ভ্রুভ না হয়,সো আগে ইম্ভ্রুভ করুন,এক গাদা টেষ্ট দিয়ে যদি বলেন যে সব বই শেষ করলাম তবু স্কোর বাড়তেছে না,এটা বাড়বেও না তাহলে কোনদিন।আর যা শুনতে ইচ্ছা হয় না,ধরেন পডকাষ্ট বা এরকম অনেক কিছু শুনতে বলবে অনেকে,দরকার নেই,যেটা শুনে আনন্দ পাবেন,সেটাই শুনুন, তবে শোনার চেষ্টা করুন,গান শুনলেও চেষ্টা করুন লিরিক্স এ কি আছে, ট্রাষ্ট মি,অনেক কাজে লাগবে।এবার সব থেকে জরুরী ব্যাপারে বলি সেটা হলো মনোযোগ,লিসেনিং এ সবথেকে বেশী দরকার আমার মনে হয়েছে মনোযোগ এ,অডিও আপনাকে ট্রিকস করবে,আমার এক্সামের একটা ট্রিকস মনে আছে সেটা হলো প্রশ্নকর্তা অন্য একজনকে আস্ক করে যে সে তো পড়ে যেয়ে পা এ ব্যাথা পেয়েছিলো তাই না,তখন উওর দেয়া হয় না,হাতে পেয়েছিলো।প্রশ্ন ছিলো সে কোথায় ব্যাথা পেয়েছিলো,সো এরকম ভাবে আপনাকে প্রশ্নের যতগুলো উওর আছে সব গুলোই তারা শোনাবে,কিন্তু সেখানে যেটা সঠিক উওর সেটা ধরার জন্য সম্পুর্ন মনোযোগ চাই।আমি যখন লিসেনিং করতাম,আমার বাসার ছাদে পারমানবিক বোমা ফেললেও আমি হয়তো ভাবতাম বেলুন ফুটলো,এরকম মনোযোগ টেনে আনুন,এতে সময় লাগবে,কিন্তু ধীরে ধীরে হবে,আশে পাশে কি হচ্ছে,কার এক্সাম কেমন হচ্ছে,কোন মেয়েটা সুন্দর সেটা দেখে লাভ নেই।আমার কাছে প্রতিবার মনোযোগ হাড়ানো মানে ১ পয়েন্ট কমে যাওয়া।আর প্যানিক হওয়া যাবে না, এমন হতে পারে যে আপনি হঠাৎ করে লক্ষ্য করলেন যে আপনি ২২ নম্বর এর উওর দেয়ার জন্য বসে আছেন কিন্তু ২৩ এর উওর বলতেছে,বেশীরভাগ মানুষ ই তখন সেই ১ প্রশ্নের শোকে সামনের ২ টার কথা ভুলে যায়,এটা করা যাবে,প্রশ্ন মিস হয়ে গেলে হোক,তাতে কিচ্ছু আসে যায় না,এটা নিয়ে ভাবাভাবি একদমই অফ করে দিতে হবে।সময় কাজে লাগাতে হবে,সব প্রশ্ন শুরু করার আগে আপনাকে সময় দিবে,বলবে যে প্রশ্ন দেখে নিন,তখন প্রশ্ন দেখবেন,সাথে হালকা করে প্রশ্নের পাসে যেগুলো আসে সেগুলো খেয়াল করবেন,যাতে ফ্লো ধরতে পারেন কিন্তু প্রশ্ন ছাড়া অন্য কিছু তে তেমন মনোযোগ দেয়ার কিছু নেই,আর যারা একটু স্লো,সেই সময়ে সব প্রশ্ন পড়তে পারছেন বা ৪ নম্বর সেকশনে একসাথে যখন ১০ টা প্রশ্ন দেখতে হবে,তখন আমি যা করি তা হলো পেছনের উওর চেক করি না,আপনাকে সময় দেয়া হবে যে উওর চেক করুন,তখন উওর চেক না করে প্রশ্ন দেখতে থাকবেন সামনের,দেখবেন অনেক সময় পেয়ে গেছেন।রিয়েল এক্সামে আপনাকে উওর প্রশ্ন পত্রে লিখতে হবে,আপনি চাইলে সরাসরি উওরপত্রেও লিখতে পারেন,কিন্তু প্রশ্নে লিখলে সময় টা বাচবে কিছু,এক্সাম শেষ হওয়ার পর ১০ মিনিট সময় দিবে উওর পত্রে লেখার জন্য,তখন চেক করে নিতে পারবেন যে কোথাও স্পেলিং ভুল হলো কিনা,কিন্তু সাবধান সেই ১০ মিনিটের পরে আপনার লেখায় যত বড় ভুলই থাকুক না কেন,খাতায় টাচ করবেন না,১ নাম্বার বাচাতে যেয়ে ৫-১০ ও হারিয়ে ফেলতে পারেন,এই রিস্ক নেবেন না,তারা আপনার সাথে ঝগড়া করবে না,যাস্ট এসে কেটে দিয়ে চলে যাবে,অথবা আপনি হয়তো ভাববেন যে তারা দেখে নি নি কিন্তু তারা আপনার খাতা হাতে নিয়ে কেটে দিবে,আপনি জানতেও পারবেন না সো এই ভুল করবেন না।আর বড় ছোট লেখার কথা আমি জানি না,তবে আমি যেটা করেছি সেটা হচ্ছে প্রথম ওয়ার্ড হলে বর হাতের অক্ষর এ শুরু করেছি,আর মাঝখানে হলে সবই ছোট হাতের অক্ষর।

আর আবারো বলছি,প্যানিক হবেন না,নার্ভাসনেস আপনার কি ভয়ংকর ক্ষতি করার ক্ষমতা রাখে তা শুধু যারা এক্সাম দিয়েছে তারাই জানে,সো বি কুল,বি হ্যাপি।Ielts ছেলের হাতের মোয়া না,তেমনি আবার অসম্ভব কোন কাজ ও না,আপনি ঠিক ঠাক ভাবে পড়াশোনা করে বসলে সহজেই ভালো স্কোর তুলে আনতে পারবেন,অন্যদের সেই হেন তেন ভাতের ফ্যান,আসবে না,সহজ না,সবাই পারে না এসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দেন,এসব আমিও শুনেছি,আমাকেও বলেছে,এগুলো না শুনলে স্কোর হয়তো আরেকটু ভালো হতো।

আমার স্কোর-

Listening-8

Reading-7.5

Writing-6

Speaking-6


Report Page